অতিরিক্ত শাসন সন্তানকে ভালো করে না, বরং বিদ্রোহী করে তোলে। লাঠি নয়, ভালোবাসাই সমাধান।
শারীরিক প্রহার ও মানসিক চাপ শিশুর যা ক্ষতি করে:
কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়। স্মৃতি ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র 'হিপোক্যাম্পাস' ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্বাধীনতা কেড়ে নিলে শিশু তা ফিরে পেতে বিদ্রোহী হয় (Reactance Theory)। তারা দ্বৈত জীবন শুরু করে।
মারা খাওয়া শিশুরা শেখে যে সমস্যা সমাধানের পথ হলো সহিংসতা। তারা অন্যদের বুলিং করে।
ধর্মের দোহাই দিয়ে মারলে সন্তান ধর্মকেই শাস্তির সমার্থক মনে করে এবং ঈমান হারায়।
প্যারেন্টিং স্টাইলের ফলাফল
রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ
"আল্লাহ কোমল, তিনি কোমলতাকে পছন্দ করেন।" আনাস (রা.) ১০ বছর খেদমত করেছেন, রাসুল (সা.) তাকে কখনো ধমক দেননি।
প্রকৃত বীর সে-ই যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে। রাগের মাথায় শাসন করা ইসলামে নিষিদ্ধ।
"শারীরিক শাস্তি হলো সর্বশেষ উপায় (Last Resort), তাও ১০ বছরের নিচে নয় এবং আঘাত করা যাবে না।"
সংশোধনের আগে সম্পর্ক গড়ুন
শিশুর উচ্চতায় নেমে চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। এটি ভয় কমায়।
বকা না দিয়ে সোনামণি সিরিজের মতো বই পড়ে শোনান। শিশুরা গল্পের মাধ্যমে নিজের ভুল বুঝতে শেখে।